নিউজ ডেস্ক :-পানাগড় শিল্প তালুকে আউসগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের নবনিযুক্ত সভাপতি ও ব্লক সভাপতি শিল্প তালুকের শ্রমিকদের সুখ দুঃখের কথা জানতে ও তাদের সাথে পরিচয় করতে বেসরকারি মদ তৈরীর কারখানা ও বেসরকারি সিমেন্ট প্রস্তুত কারখানার গেটে যান তৃণমূল কংগ্রেসের নব নিযুক্ত দুই ব্লক সভাপতি । পাশাপাশি এদিন তাদের দুই কারখানার গেটের সামনে শ্রমিকরা দুই সভাপতিকে সংবর্ধনা দেন । শনিবার এই সংবর্ধনা দেওয়া কে নিয়ে বিজেপি পক্ষ থেকে অভিযোগ করে যে কারখানার প্রোডাকশন বন্ধ করে কারখানার শ্রমিকেরা তৃণমূল কংগ্রেসের সংবর্ধনা সভার অনুষ্ঠানে যোগ দেয় । যদিও আউসগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের পূর্ব বর্ধমানের জেলা পরিষদের সদস্য রামকৃষ্ণ ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি বলেন কারখানার শিফটিং ডিউটিতে আছে যারা দুপুরের সিফটে কাজে যোগ দেবে তারা এদিনের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসেছিলেন না হলে এই অনুষ্ঠানের প্রায় ১৫০০ শ্রমিক অনুষ্ঠানে যোগ দিত । বিজেপি শুধু অভিযোগ করতে জানে, আর কিছুই জানে না। অন্যদিকে , তৃণমূল কংগ্রেসের আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি সন্দীপ বসু বলেন তার কাছে কোন খোঁজ খবর নেই ব্লক ভিত্তি কোথায় কি অনুষ্ঠান হচ্ছে শ্রমিক সংগঠনের। এবং তিনি আরো বলেন যদি কোথাও প্রোডাকশন বন্ধ কর শ্রমিকদেরকে নিয়ে অনুষ্ঠান করে সেটা দল মেনে নেবে না দল তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেবে পাশাপাশি আরো জানান শ্রমিক সংগঠনের কাজের ক্ষেত্রে অন্যান্য সংগঠনগুলি মাথা গলাতে পারে না যদি কোথাও বিক্ষিপ্ত ধরনের ঘটনা ঘটে দল ছেড়ে কথা বলবে না।

এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আউসগ্রাম ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি শেখ আব্দুল লালন , শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি জগবন্ধু বাউরী , জেলা পরিষদের সদস্য রামকৃষ্ণ ঘোষ , কোটা যুব অঞ্চল সভাপতি – সভাপতি সুরোজ কৃষ্ণা চ্যাটার্জী , কোটা অঞ্চলের সভাপতি আপেল মিদ্দা সব অন্যান্য তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা। আউসগ্রামের শ্রমিক সংগঠনের ব্লক সভাপতি জগবন্ধু বাউরী জানিয়েছেন তিনি সবেমাত্র দায়িত্ব হাতে নিয়েছেন আগামী দিনে তিনি শ্রমিকদের স্বার্থে শ্রমিকদের জন্য তিনি সমস্ত রকম পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তৃণমূল ব্লক সভাপতি শেখ আব্দুল লালন জানান দল সবসময় শ্রমিকদের জন্য সর্বদায় প্রস্তুত এবং তারা পুজোর পর শ্রমিকদের নিয়ে আমরা সকলে মিলে বসে তাদের অসম্পূর্ণ যে সমস্ত কাজ পড়ে আছে সেগুলি আমরা সকলে মিলে সম্পন্ন করবো। তবে কি , পানাগড় শিল্প তালুকের স্থানীয় বেকার যুবকরা এখনো তারা কাজ পায়নি আর কিভাবে জেলা সভাপতির কাছে অনুমতি না নিয়ে ব্লক স্তরে কার্যক্রম চলছে তবে কি কোথাও ঠান্ডা ঘরে গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের লড়াই। প্রশ্নটা ঘোরাফেরা করছে বিভিন্ন মহলে ।





