নিজস্ব প্রতিনিধি , হাওড়া – চলতি বছরে বঙ্গের প্রত্যেক পুজো কমিটিকে দেওয়া হবে ৭০ হাজার টাকা , মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর থেকেই আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠেছে পুজো কমিটিগুলি। ইতিমধ্যেই দিকে দিকে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি। কিন্তু এরমাঝেই ফের নতুন বিতর্ক। কারণ কলকাতার পর আবার আলাদা করে গঠন করা হলো ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব -হাওড়া‘। অর্থাৎ এতদিন একটিই মাত্র দুর্গাপুজোর ফোরাম ছিল , যেটাই মূল ফোরাম। যার নাম ফোরাম ফর দুর্গাপুজো। যেখানে বাংলার সমস্ত পুজো কমিটি ছিল। কিন্তু এদিন আলাদা ভাবে হাওড়া জেলার দুর্গাপুজো কমিটি নিয়ে গঠন করা হলো এই ফোরাম ফর দুর্গোৎসব-হাওড়া। আর এতেই দেখা দিয়েছে বিতর্ক।
এদিন হাওড়ার শরৎ সদনে ‘ফোরাম ফর দুর্গোৎসব-হাওড়া’র প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী অরূপ রায় সহ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিকরা। এদিনের এই সভাতে হাওড়ার ১৩৩২ টি প্রশাসন স্বীকৃত দুর্গাপুজো কমিটির মধ্যে ৯০০ কমিটি উপস্থিত ছিল। আগামী দিনে পুজোর পরিকল্পনা এবং এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা চলে এই মিটিংয়ে।
নতুন ফোরাম নিয়ে বিতর্ক উঠতেই সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন,’এই ফোরাম আগামীদিনে হাওড়ার দুর্গাপুজোর ঐতিহ্যকে আরও বিস্তারিত করতে সহায়ক করবে। এখানে রাজনীতির কোনো স্থান নেই। কলকাতার দুর্গাপুজোকে যেমন ইউনেস্কো স্বীকৃতি দিয়েছে , ঠিক একইভাবে আমরাও সেই লক্ষ্যেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাবো। জেলায় এই ধরনের কমিটি থাকলে আগামীদিনে কাজ করতে অনেকটাই সুবিধা হবে সমস্ত পুজো কমিটিগুলোর’।
এদিকে অরূপ রায়ের দাবি উড়িয়ে ‘ফোরাম ফর দুর্গাপুজো’র এগজিকিউটিভ কমিটির সদস্য সায়ান্তন চক্রবর্তী বলেন,’ আমরা কোনো বিভাজন চাই না , মা সকলের জন্য এক। কলকাতার মতো হাওড়ার মানুষও পুজো পাগল। রাজ্যজুড়ে যেখানে একটিই সংগঠনের মাধ্যমে দুর্গাপুজোর সামগ্রিক একটা চিত্র উঠে আসছে , সেখানে আলাদা করে বিভাজন হলে সেটা সাংগঠনিক দিক থেকে অসুবিধার। একটা প্লাটফর্ম হলে সাধারণ মানুষ থেকে প্রশাসনের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে সুবিধা হয়। নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে , সেটা আলোচনা করে মিটিয়ে নেওয়া সম্ভব।




