নিজস্ব প্রতিনিধি, নদীয়া – পঞ্জিকা মতে এবছর ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে কোনো দিন জন্মাষ্টমী হিসেবে পালন করা যাবে। এই মর্মে বৃহস্পতিবার মায়াপুর ইসকন মন্দিরে মহাসমারোহে পালিত হচ্ছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ৫,২৫০ তম আবির্ভাব তিথি। এদিন সকাল থেকেই বিশেষ পুজো হচ্ছে। এমনকি হোম যজ্ঞও করা হয়। এদিন বিদেশ থেকে প্রচুর ভক্তদের সমাগম হয় মন্দির চত্বরে। বিতরণ করা হয় ভোগ প্রসাদ।
সূত্রের খবর, বুধবার সন্ধ্যারতির পর থেকেই জন্মাষ্টমীর অধিবাস শুরু হয়ে যায় ইসকনের মন্দিরে। আর বৃহস্পতিবার ভোরে দর্শনারতি পর মঙ্গল আরতি হয়। এর পরেই বিশ্ব শান্তি যজ্ঞ দামোদর অষ্টকম সহ শ্রীকৃষ্ণের সহস্রনাম পাঠ শুরু হয়। বিনামূল্যে বিলি হয়েছে মহা প্রসাদ সহ মিষ্টি। এদিন ইসকনে জন্মাষ্টমী পালনে যোগ দিতে বিদেশ থেকে বহু ভক্তদের আগমন ঘটেছে। করা হয়েছে অস্থায়ী প্যান্ডেল। গোটা মন্দির চত্ত্বরকে ফুল ও আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে।
এই বিষয়ে ইসকনের জনসংযোগ আধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস জানান, অনান্য অনুষ্ঠানের মতই ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব এর একটি মায়াপুরের মুখ্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান। এবছরেও আগের দিন থেকে জন্মাষ্টমীর তোড়জোড় শুরু হয়েছে এখানে। পুজো, হোম, যজ্ঞ ভোগ বিলি সব কিছুই চলছে। বৃহস্পতিবার রাতে পুষ্পাঞ্জলির মধ্যে দিয়ে মহা অভিষেক অনুষ্ঠান শুরু হবে মন্দির প্রাঙ্গণে।
জন্মাষ্টমী উপলক্ষে দেশ-বিদেশের অসংখ্য ভক্ত ইতিমধ্যেই উপস্থিত হয়েছে মায়াপুর ইসকনে। তাদের নিরাপত্তা নিয়েও রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।
প্রসঙ্গত, শাস্ত্র মতে ভাদ্রপদ মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমীর দিনে পালন করা হয়ে থাকে কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী। এদিন সারা ভারত জুড়ে মহাসমারোহে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করা হয়। আর মায়াপুরও সেজে ওঠে। এবারেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুধু জন্মাষ্টমী নয়। এখানে চন্দনযাত্রা, স্নানযাত্রা, ঝুলনযাত্রা, জন্মাষ্টমী, রাধাষ্টমী, দোলযাত্রা উপলক্ষে মন্দিরে বিশেষ অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।




