নিজস্ব প্রতিনিধি , মুম্বাই – ২২ বছর পর ‘গদর-২’ প্রায় ৪৯০ কোটির ব্যবসা করে ফেলেছে। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সানি দেওল ও আমিশা প্যাটেল। কিন্তু পরিচালক অনিল শর্মার সঙ্গে আমিশার ঝগড়া শোনা যাচ্ছে বেশ কিছুদিন। এক সাক্ষাৎকারে আমিশা জানান ‘গদর-২’ নিয়ে খুব একটা খুশি নন পরিচালক। তার কথায় পরিচালকের পছন্দ মত চরিত্র উপস্থাপন করা হয়নি। তিনি এও বলেছেন ‘গদর-৩‘ তার কথা মত না হলে কাজ করবেন না।
একথার পরিপ্রেক্ষিতে অনিল পরিষ্কার জানালেন,”‘সাকিনা চরিত্রটি আমার মস্তিষ্কপ্রসূত, আমিশার নয়। আমি আদৌ জানিই না গদর থ্রি হবে কিনা! তাতে উনি (আমিশা) বললে কী যায় আসে! তবে উনি ছবিতে ছিলেন তার জন্য ওঁকে ধন্যবাদ জানাতে চাই”। এই সমস্ত কথা সামনে আসতে প্রশ্ন উঠছে পরিচালকের সঙ্গে নায়িকার সম্পর্ক ভালো না ?
উত্তরে অমিশা জানান,” ‘গদর’ এর সময় থেকেই তার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক না। তারপরেও উনি আমার পরিবারের সদস্য। ‘গদর-২’ আমি করেছি শুধু মাত্র সানি আর Zee স্টুডিওর জন্য। আর গদরের চিত্রনাট্য শক্তিমানজির লেখা তাই জন্য। ছবির শ্যুটিংয়ের সময় পাওনা, বকেয়া নিয়ে আমি একাধিক টুইট করেছিলাম। অনিল শর্মা সেই টুইট আমায়য় মুছে ফেলতে অনুরোধ করেন। ওঁদের অনুরোধে, জি স্টুডিওর সঙ্গে কথা বলে আমি সেই সব টুইট মুছে ফেলি। সেইসব কথার প্রমাণ আছে। অনিল শর্মার সমস্ত কথাবার্তার মেসেজ আমার কাছে আছে। অনিলজি নিজের ছেলে উৎকর্ষকে হাইলাইট করতেই ব্যস্ত। যদিও উৎকর্ষের বিরুদ্ধে আমার কোনও অভিযোগ নেই, ও মিষ্টি ছেলে।’
এরইমাঝে আরেক সাক্ষাৎকারে আমিশা জানান ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ সেট থেকে বের করে দেওয়া হয় কারিনাকে। ২০০০ সালে ‘কহো না প্যায়ার হ্যায়’ সিনেমা দিয়েই বলিউডে পা রাখেন আমিশা। ছবিতে হিরোর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন হৃতিক রোশন। প্রথমে কারিনা অভিনয় করত কিন্তু পরে আমাকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছিল। কারণ হৃতিকেরও প্রথম কাজ ছিল।
অনেক বছর আগে এক ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে করিনা আবার বলেছিলেন, ” ‘কহো না প্যয়ার হ্যায়’ থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় আমি খুশি। কারণ বেশ কিছু দৃশ্যে আমিশার চোখের তলার কালি দেখা যাচ্ছিল। মুখের ব্রণও ফুটে উঠছিল স্ক্রিনে। তবে তার আর হৃতিকের সম্পর্কে কোনও খারাপ প্রভাব ফেলেনি”।




